তারবিয়াহ ও আখলাক
আক্বীদাহ ও ঈমান দৃঢ়করণ
তাওহীদ শিক্ষা (উলূহিয়্যাহ, রুবুবিয়্যাহ, আসমা-ও -সিফাত)। শিরক ও বিদআতের ক্ষতি সম্পর্কে জানা। সালাফে সালেহীনের মানহাজে আক্বীদাহ দৃঢ়করণ এবং আল্লাহভীতি ও তাকওয়া চর্চা করা।
ইবাদত ও আমল
সালাত, সিয়াম, যাকাত ও অন্যান্য ইবাদতের নিয়মিত চর্চা রাখা। কুরআন তিলাওয়াত, হিফয ও তাদাব্বুরের অভ্যাস তৈরি করা। সহীহ দু‘আ ও আযকার মুখস্থ করা এবং কিয়ামুল লাইল ও নফল ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধকরণ।
আখলাক ও ব্যক্তিত্ব গঠন
সততা, আমানতদারিতা ও ইখলাস ঠিক রাখা। ধৈর্য (সবর), শোকর ও রিযা বিল-ক্বদর জারি রাখা। নম্রতা, বিনয়ী হওয়া ও অহংকার বর্জন করা। কথা বলার শিষ্টাচার, মিথ্যা ও গীবত থেকে বিরত থাকা। সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্বশীলতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
সামাজিক সম্পর্ক ও আচরণ
পিতা-মাতার সাথে আদব ঠিক রাখা ও সেবা করা। উস্তায ও আলেমদের প্রতি সম্মান বজায় রাখা। সহপাঠীদের সাথে ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতা রাখা। প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষা করা এবং মুসলিম উম্মাহর প্রতি মমতা, দু‘আ ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা।
নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধ
নিজেকে উম্মাহর সেবায় প্রস্তুত করা। সমাজ সংস্কার ও দাওয়াহতে অংশগ্রহণ করা। আলেমদের মতো জ্ঞান ও আখলাকে নেতৃত্ব প্রদর্শন করা। সমস্যা সমাধান ও ইতিবাচক উদ্যোগে অগ্রণী ভূমিকা পালন।
দাওয়াহ ও আমর বিল মা‘রূফ
দাওয়াহর আদব ও হিকমাহ শেখা। ইসলামের মৌলিক দাওয়াহ বিষয়াবলী মুখস্থ করা। বাস্তব জীবনে দাওয়াহর অনুশীলন (বন্ধু, পরিবার, সমাজের মধ্যে) বিভাজন নয়, বরং ঐক্য ও সত্যের দিকে আহ্বান জারি রাখা।
আত্মশুদ্ধি (তাযকিয়া) ও মুজাহাদা
নফসের খারাপ গুণাবলী দূরীকরণ (হিংসা, অহংকার, রিয়া ইত্যাদি)। ভালো গুণাবলী অর্জন (তাওয়াক্কুল, খুশু, রহমত) করা। নিয়মিত আত্মমূল্যায়ন (মুহাসাবাহ) করা। ইলম ও আখলাকের সমন্বয়ে নিজেকে উন্নত করা।
পরিকল্পিত কার্যক্রম
সাপ্তাহিক তারবিয়াহ লেকচার। ইলমী হালাকাহ। আখলাক প্রতিযোগিতা (সততা, সময়ানুবর্তিতা, সেবামূলক কাজ)। শিক্ষার্থীদের আত্মমূল্যায়ন রিপোর্ট। উস্তাযের সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও নসীহাহ।